আগে বিচার হবে, সংস্কার হবে, এরপর নির্বাচন
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র সমাবেশে বক্তারা সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন, আগে ‘প্রোক্লেমেশন অফ জুলাই রেভ্যুলিউশন’ ঘোষণা দিতে হবে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহিদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং দেশের প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার করতে হবে। বক্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগে বিচার ও সংস্কার না হলে কোনোভাবেই নির্বাচন দেওয়া যাবে না।
সোমবার বিকাল ৪টায় রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,
“গত দেড় দশক ধরে শেখ হাসিনা দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, এবং একাধিক নির্বাচনে কারচুপি—এসবের বিচার এখনো হয়নি।”
তিনি আরও বলেন,> “ছাত্রসমাজ জেগে আছে। যতদিন তারা জেগে থাকবে, ততদিন খুনি হাসিনা ঢাকার মসনদে বসতে পারবে না। বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে, আর দিল্লির হস্তক্ষেপ চলবে না।”
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন,> “ক্ষমতায় থাকার লোভে যারা মানুষের রক্ত নিয়ে খেলেছে, তাদের ক্ষমতায় থাকা আর সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। আগে সিস্টেম সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে।”
বক্তারা আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”
সমাবেশে বক্তারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলা ও হুমকির কথা তুলে ধরে প্রশাসনের প্রতি দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
ছাত্র আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সমাবেশে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতাসহ ফরিদপুরের ৮ জন শহিদ ও আহতদের খোঁজ নিতে আসা নেতৃবৃন্দ।