গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ ‘অবশ্যই’ শুরু হবে: ট্রাম্পের দূত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ রোববার জানিয়েছেন, ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কিছু জটিলতার সম্মুখীন হলেও এটি ‘অবশ্যই শুরু হতে যাচ্ছে’ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটি বাস্তবায়ন দেখতে চান।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল থানি এবং মিশরের গোয়েন্দা প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে তার ‘ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক’ আলোচনা হয়েছে। এতে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের সময়কাল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ধাপ আরও জটিল, কারণ এটি যুদ্ধের অবসানের পাশাপাশি গাজায় হামাসের ক্ষমতা বিলুপ্ত করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করে।’
যদিও চুক্তিতে হামাসকে ক্ষমতা থেকে সরানোর কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, তবে ট্রাম্প প্রশাসন এবং ইসরাইল এটিকে মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
উইটকফ জানান, দ্বিতীয় ধাপে ১৯ জন আইডিএফ (ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) সেনাকে মুক্তি দেওয়া হবে, তবে ইসরাইলি সূত্র বলছে, হামাসের হাতে জীবিত সেনার সংখ্যা ১০ জনের কম।
তিনি আরও বলেন, ‘হামাস বলেছিল তারা আর কোনো জিম্মি মুক্তি দেবে না, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা পিছু হটেছে। আমরা আশা করি এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।’
গাজা দখলের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নতুন ধারণা নিয়ে এলে সমালোচনা হবেই, তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উসকে দিয়েছে।’
ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য গাজার প্রায় ২০ লাখ জনগণের পুনর্বাসনের উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মিশর ও জর্ডানের পাশাপাশি আরও কিছু দেশ আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং মানবিক প্রচেষ্টায় অংশ নিতে চায়।’
তবে মিশর ও জর্ডান ইতোমধ্যেই গাজাবাসীদের স্থানান্তরের যেকোনো পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
দিগন্ত জার্নাল | সাম্যের আহ্বানে