মিডিয়া মাঠে ফুটবল যুদ্ধ: এএফপির গোল, রিপাবলিক টিভির কান্না: মাস্কওয়াইথ আহসান - দিগন্ত জার্নাল

মিডিয়া মাঠে ফুটবল যুদ্ধ: এএফপির গোল, রিপাবলিক টিভির কান্না: মাস্কওয়াইথ আহসান

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:

শুক্রবার , (৯ মে ২০২৫) সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিস্থিতিকে ফুটবল ম্যাচের ছন্দে রূপ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল এক লেখায় সমসাময়িক মিডিয়া বাস্তবতা ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেছেন ‘মাস্কওয়াইথ আহসান’। তার ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত এই লেখা পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

লেখায় দেখা যায়, গোলরক্ষক রিপাবলিক টিভি সুন্দরভাবে বল গড়িয়ে দেন ঢাকা ট্রিবিউনের দিকে। ঢাকা ট্রিবিউন মাঝমাঠে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরকে পাস দেন। বিডিনিউজ বল বাম দিকে একটু উঁচু করে তুলে দেন প্রথম আলোর কাছে। প্রথম আলো ডি বক্সের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ডেইলি স্টারকে পাস দেন, আর ডেইলি স্টার তা বাড়িয়ে দেন যমুনা টিভির দিকে।

তবে রয়টার্স এসে যমুনাকে বাধা দিলে বল মাঠের বাইরে চলে যায়। কর্নার কিক নিতে প্রস্তুত বিবিসি বাংলা। গোলপোস্টের সামনে হুলস্থুল জটলা; ডয়চেভেলে বাংলা অপেক্ষায় আছে হেড দিয়ে বল গোলপোস্টে পাঠানোর, কিন্তু তাকে টাইট মার্কিংয়ে রাখে ডয়চেভেলে ইংলিশ।

এই মুহূর্তে গ্যালারিতে ছায়ানট মাথা দুলিয়ে গাইছে, “মোরা যাত্রী একই তরণীর”। বিবিসি বাংলার করা কর্নার কিক বিবিসি ইংলিশ রুখে দিয়ে বল ঠেলে দেয় নিউইয়র্ক টাইমসের দিকে। টাইমস দ্রুতগতিতে বল নিয়ে এগিয়ে যান, লম্বা করে পাস দেন আল জাজিরাকে।

আল জাজিরা আজতক টিভিকে কাটিয়ে ডি বক্সের কাছাকাছি চলে আসে। আনন্দবাজার এসে ব্লক করার চেষ্টা করলেও আল জাজিরা বল ঠেলে দেন বাম দিকে এএফপির দিকে। এএফপি শট নিয়ে বল জড়ান গোলবারে—গোল!

গোলরক্ষক রিপাবলিক টিভি ভেঙে পড়েন কান্নায়।

গণমাধ্যম জগতে চলমান প্রতিযোগিতা, প্রভাব বিস্তার ও কৌশলের দারুণ এক রূপক হিসেবে মাস্কওয়াইথ আহসানের এই লেখাটি সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে। এটি গণমাধ্যম-রাজনীতির মঞ্চে একটি ব্যতিক্রমধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে পাঠকের মনে দাগ কেটেছে।

an adbox will go here