দখলদারদের কব্জায় রয়েছে বাংলাদেশ রেলের ৯ হাজার একর জমি
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
রাজনৈতিক দখলদারদের কব্জায় রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় ৯ হাজার একর জমি, যার মধ্যে ঢাকায় বেদখল রয়েছে শতাধিক একর। এসব জমিতে ১২টি মার্কেট স্থাপন করেছে ঢাকা সিটি করপোরেশন। পরবর্তীতে এসব মার্কেট দখলে নেয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কিছু ব্যবসায়ী। এসব মার্কেটের অধিকাংশ দোকান বিক্রি হয়েছে ১২ থেকে ১৫ জনের কাছে। রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখলে নিলেও উদ্ধার অভিযান একাধিকবার ব্যর্থ হয়েছে, যা রেল বিভাগের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও ভাঁওতাবাজির বিষয়টিকে তুলে ধরে।
রেলওয়ের জমি উদ্ধারে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিলেও এগুলো কার্যকর হয়নি। সাবেক রেলপথমন্ত্রী, সচিব ও রেলওয়ের মহাপরিচালকরা অভিযানে সম্পৃক্ত ছিলেন, তবে অনেক সময় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা দখলদারদের সঙ্গে আঁতাত করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল বঙ্গবাজার মার্কেট আগুনে পুড়ে গেলেও রেলকে জানানো হয়নি। খিলগাঁও কাঁচাবাজারেও নতুন বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে, যা রেলের জমিতে অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, “রেলওয়ের জমি উদ্ধারে আমরা কঠোর হচ্ছি। ইতোমধ্যে অনেক জমি উদ্ধার করা হয়েছে, এবং আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে উদ্ধারকাজ আরও শক্তিশালী হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, “রেলের জমি ব্যবহার করে আয় বাড়ানো সম্ভব হবে।”
এদিকে, ঢাকার বিভিন্ন স্থানে রেলের জমির উপরে নির্মিত মার্কেটগুলো বর্তমানে ডিএনসিসির অধীনে রয়েছে, যেখানে সাধারণ ব্যবসায়ীরা কোটি টাকা এডভান্স দিয়ে দোকান চালাচ্ছেন।