যুদ্ধবিরতির পর আজাদ কাশ্মীরে শান্তির আভাস, সতর্কতা বজায় - দিগন্ত জার্নাল

যুদ্ধবিরতির পর আজাদ কাশ্মীরে শান্তির আভাস, সতর্কতা বজায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চরম উত্তেজনার চার দিন পর আজাদ কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে রোববার কিছুটা শান্তি ফিরেছে। বাসিন্দারা আবার নিজেদের বিছানায় ফিরলেও, ঘরের পাশে নির্মিত বাংকারগুলোতে রসদ রেখে প্রস্তুত অবস্থানে রয়েছেন।

সোমবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে দুনিয়া নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ডজনখানেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শনিবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর বহু বছর ধরে গোলাগুলির শব্দে অভ্যস্ত মানুষজন আপাতত নিজ বাড়িতে ফিরেছেন, তবে আশঙ্কা এখনো কাটেনি। চাকোঠি গ্রামের বাসিন্দা কালা খান বলেন, ‘ভারতের ওপর আমার কোনো বিশ্বাস নেই। আবারও হামলা হবে বলেই মনে করি। তাই বাংকারে সবকিছু মজুত রেখেছি।’

চাকোঠি এলাকা নীলম নদীর তীরে অবস্থিত, যেটি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। এখান থেকেই ভারতীয় সামরিক চৌকি দেখা যায়। কালা খানের আট সদস্যের পরিবার বিগত কয়েক রাত ২০ ইঞ্চি পুরু কংক্রিট ছাদের নিচে নির্মিত দুটি বাংকারে কাটিয়েছেন। তিনি জানান, ‘যখনই ভারতীয় গোলাবর্ষণ শুরু হতো, আমি পরিবার নিয়ে বাংকারে চলে যেতাম।’ বাংকারে রাখা আছে বিছানাপত্র, চাল-আটা, খাবার ও মূল্যবান জিনিসপত্র।

এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, এলওসি বরাবর ১,০০০–এর বেশি বাংকার নির্মিত হয়েছে, যার এক-তৃতীয়াংশ সরকারিভাবে তৈরি। চাকোঠির চারপাশে সবুজ পাহাড় আর আখরোট গাছের মাঝেও ছায়াঘেরা পরিবেশ এখন অনেকটাই নিস্তব্ধ, ৩০০ দোকানের অর্ধেকই বন্ধ, রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য। মুজাফফরাবাদে মোতায়েন এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, যেখানে একটি মসজিদে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনে তিনজনকে হত্যা করেছে, রোববার সকাল থেকে নতুন করে কোনো গোলাবর্ষণের খবর নেই।

an adbox will go here