কুরস্কে রুশ ও কোরিয়ান সেনাদের ব্যাপক বিপর্যয়ের দাবি জেলেনস্কি - দিগন্ত জার্নাল

কুরস্কে রুশ ও কোরিয়ান সেনাদের ব্যাপক বিপর্যয়ের দাবি জেলেনস্কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গত বছরের আগস্টে ইউক্রেন কুরস্ক অঞ্চলে সীমান্তবর্তী স্থল অভিযান শুরু করে, যার পর রাশিয়া পাল্টা অভিযান শুরু করে এবং সেখানে এখন রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার সেনা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার দাবি করেছেন, কুরস্ক অঞ্চলে রুশ ও কোরিয়ান সেনারা ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে।

দ্য কিয়েভ ইনডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কি কুরস্ক অঞ্চলের মাখনোভকা গ্রামের কাছে সংঘর্ষের সময় রুশ এবং উত্তর কোরীয় বাহিনীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির কথা জানান। তিনি বলেন, “গতকাল (শুক্রবার) এবং আজ (শনিবার) সংঘর্ষে উত্তর কোরিয়ার পদাতিক বাহিনী ও রুশ প্যারাট্রুপার বাহিনী একটি করে ব্যাটালিয়ন হারিয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তবে জেলেনস্কি আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।

জেলেনস্কি উত্তর কোরীয় বাহিনীকে সামনের সারিতে মোতায়েন রোধ করতে চীনকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এদিকে, গত বুধবার ইউক্রেনের সেনাপ্রধান অলেক্সান্ডার সিরস্কি জানান, কুরস্ক অঞ্চলে সম্মুখ যুদ্ধে ৩৮ হাজার রুশ সেনা নিহত হয়েছে এবং ১ হাজারেরও বেশি সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। সিরস্কি বলেন, “আমরা হানাদারদের ধ্বংস করতে থাকব, রাশিয়ান বা উত্তর কোরিয়ান পাসপোর্টধারী, তাতে কিছু যায় আসে না। যুদ্ধ চলতেই থাকবে।”

কিয়েভের মতে, ইউক্রেন ৬ আগস্ট কুরস্কে আক্রমণ শুরু করে প্রায় ১৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে। তবে তীব্র লড়াইয়ের কারণে ইউক্রেনের বাহিনী প্রাথমিকভাবে দখল করা অঞ্চলের প্রায় অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। ইউক্রেন রাশিয়ার সাথে ভবিষ্যতের আলোচনায় দখলকৃত রাশিয়ান ভূখণ্ড ব্যবহার করার আশা করছে।

রাশিয়াও উত্তর কোরিয়াকে সহায়তার জন্য কুরস্ক অঞ্চলে প্রায় ১২ হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট গত ২৩ ডিসেম্বর জানান, কুরস্কে তাদের হামলায় ৩ হাজারেরও বেশি উত্তর কোরিয়ার সৈন্য নিহত বা আহত হয়েছে।

an adbox will go here