তৃতীয়বারও ব্যর্থ ইলন মাস্কের স্টারশিপ, তবুও আত্মবিশ্বাস স্পেসএক্সের - দিগন্ত জার্নাল

তৃতীয়বারও ব্যর্থ ইলন মাস্কের স্টারশিপ, তবুও আত্মবিশ্বাস স্পেসএক্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রকাশ – ০৮ জুন ২০২৫
তৃতীয়বারের পরীক্ষায়ও ব্যর্থ হলো ইলন মাস্কের স্টারশিপ মহাকাশযান। গত ২৭ মে টেক্সাস থেকে উৎক্ষেপণের পর এটি কক্ষপথে পৌঁছালেও পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেঙে পড়ে মেক্সিকো উপসাগরে। স্পেসএক্স জানায়, স্টারশিপ হঠাৎ দিকনির্দেশ হারিয়ে ভেঙে পড়ে এবং পে-লোড দরজা আটকে যাওয়ায় নকল স্টারলিংক স্থাপনও ব্যাহত হয়।
এটি আগের মিশনগুলোর তুলনায় কিছুটা অগ্রগতি আনলেও মূল ব্যর্থতা রয়ে যায়—স্টারশিপ কক্ষপথে চলার সময় স্থিতি রক্ষা করতে পারেনি। জ্যোতির্বিজ্ঞানী জনাথন ম্যাকডাওয়েল বলেন, রকেটটি কক্ষপথে পৌঁছালেও বুস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।

স্পেসএক্স ব্যর্থতাকে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখলেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন। বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশ প্রকৌশলী লিয়া-নানি আলকনসেল বলেন, স্টারশিপের প্রতিটি উৎক্ষেপণ ব্যয়সাপেক্ষ এবং এগুলোর ব্যর্থতাকে অতিমাত্রায় উদ্‌যাপন করা নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতার সংকট তৈরি করছে। স্টারশিপের লক্ষ্য মঙ্গল অভিযানের জন্য প্রস্তুতি, কিন্তু বাজার এখনো তৈরি হয়নি—যা বড় আর্থিক ঝুঁকি।

তবু স্পেসএক্স আত্মবিশ্বাসী। তাদের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে স্টারশিপ দিয়ে মানুষ মঙ্গল গ্রহে পাঠানো। নাসাও তাদের আর্টেমিস কর্মসূচিতে স্টারশিপ ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে, যার লক্ষ্য চাঁদে স্থায়ী বসতি স্থাপন।

বিশেষজ্ঞ ডেভিড হোয়াইট হাউস ও ম্যাকডাওয়েল মনে করেন, সময় ফুরিয়ে আসছে। ২০২৭ সালের মধ্যে মানুষ বহনকারী প্রথম ফ্লাইট পরিকল্পনায় থাকলেও, বাস্তবতা অনুযায়ী আরও দেরি হতে পারে। মহাকাশ গবেষণায় এখন স্পেসএক্সকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে ব্লু অরিজিন ও চীনা কোম্পানিগুলো। তবে ম্যাকডাওয়েলের মতে, “আশাবাদ নয়, তবে হিসাবি আত্মবিশ্বাস” এখনো রয়েছে—যদি কেউ এটি সফল করতে পারে, তবে তা স্পেসএক্সই।

an adbox will go here