গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রথম দফার আলোচনা ‘ইতিবাচক’ পরিবেশে শেষ - দিগন্ত জার্নাল

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে প্রথম দফার আলোচনা ‘ইতিবাচক’ পরিবেশে শেষ

গাজা যুদ্ধবিরতি, হামাস, ইসরাইল, মিসর, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্প, ফিলিস্তিন, শার্ম আল-শেখ, আল জাজিরা, বন্দি বিনিময় চুক্তি

মঙ্গলবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৫ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে হামাস ও মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা ‘ইতিবাচক পরিবেশে’ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবারও এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

মিসরের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিভিশন আল-কাহেরার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, সোমবার (৬ অক্টোবর) মিসরের শার্ম আল-শেখ শহরে হামাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা আলোচনার প্রথম দিন ‘ইতিবাচক পরিবেশে’ শেষ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার)ও আলোচনার দ্বিতীয় দিন চলবে। সূত্র জানায়, বৈঠকে অংশ নিতে ইসরাইলি একটি প্রতিনিধি দলও সোমবার শার্ম আল-শেখে পৌঁছেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি বা সমঝোতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ আলোচনাকে গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয় ও গণহত্যা বন্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে মিসরে তার প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় হামাস বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মতি দিচ্ছে। সোমবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “হামাস বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সম্মত হয়েছে। আমরা ভালো অগ্রগতি করছি।”

যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ‘রেড লাইন’ বা শর্ত আছে কি না— যেমন হামাসকে নিরস্ত্র করা— এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, “যদি কিছু শর্ত পূরণ না হয়, তাহলে আমরা তা করব না। তবে আমি বিশ্বাস করি, আমরা সফলতার পথে আছি।”

তিনি আরও বলেন, “এটা এমন এক চুক্তি যেখানে সবাই অবিশ্বাস্যভাবে একসঙ্গে এসেছে। আমি সত্যিই মনে করি, আমরা এই চুক্তিটি সম্পন্ন করতে পারব।”

বিবিসি জানিয়েছে, আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো মাঠ পর্যায়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা যাতে বন্দি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়ন করা যায়। চুক্তি হলে গাজায় ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে, বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে থাকা নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল।

সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন, বিবিসি।

an adbox will go here