গাজাবাসীর স্থানান্তরের বিরুদ্ধে সুদানের সক্রিয় অংশগ্রহণ চায় ইরান - দিগন্ত জার্নাল

গাজাবাসীর স্থানান্তরের বিরুদ্ধে সুদানের সক্রিয় অংশগ্রহণ চায় ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানানো এবং গাজায় ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে সুদানের অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। একই সঙ্গে গাজাবাসীকে জোরপূর্বক স্থানান্তরের জন্য নির্মম পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ইসলামী দেশগুলোর জরুরি বৈঠকে সুদানের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার তেহরানে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুদানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইউসুফ আহমেদ আল-শারিফ। এ সময় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার করা, ফিলিস্তিন সংকট, সুদানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ইরানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সুদানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আরব ও ইসলামী দেশ হিসেবে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে সুদানে চলমান সংঘাতের কারণে দেশটির জনগণ ও অবকাঠামোর ওপর পড়া নেতিবাচক প্রভাবের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি সুদানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

আরাকচি সুদান সরকারের ফিলিস্তিনের প্রতি নীতিগত সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং গাজাবাসীকে জোরপূর্বক স্থানান্তরের বিরুদ্ধে ইসলামী দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে ইরান যে জরুরি বৈঠকের আয়োজনের চেষ্টা করছে, সেখানে সুদানের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, সুদানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইউসুফ আহমেদ আল-শারিফ তার তেহরান সফর নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ৪৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান। তিনি সুদানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকাগুলো পুনর্গঠনে ইরানি কোম্পানিগুলোর সহায়তা কামনা করেন।

বৈঠকে ইরান ও সুদান কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে ঐক্যমতে পৌঁছায়। দুই দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো কূটনৈতিক ও সেবা পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা বাতিল এবং একটি যৌথ রাজনৈতিক কমিটি গঠন।

an adbox will go here