ইতিহাসস্মরণীয় ‘সং মার্চ’: জাগ্রত কবি মুহিব খানের নেতৃত্বে বিশ্বজুড়ে নজির স্থাপন - দিগন্ত জার্নাল

ইতিহাসস্মরণীয় ‘সং মার্চ’: জাগ্রত কবি মুহিব খানের নেতৃত্বে বিশ্বজুড়ে নজির স্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫ || পৃথিবীর ইতিহাসস্মরণীয় ‘সং মার্চ’: জাগ্রত কবি মুহিব খানের নেতৃত্বে ভারতের মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

সরাসরি ভারত রাষ্ট্র কর্তৃক, (জড়িত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) এবং উগ্রপন্থী হিন্দুদের ধারা ভারতীয় মুসলমানদের উপর চলমান বর্বর নির্যাতনের প্রতিবাদে জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ব্যানারে আয়োজিত ‘সং মার্চ’ বিশ্বে ইতিহাসের প্রথম সংগীতপূর্বক প্রতিবাদী পদযাত্রা হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। এই অভিনব ও অনন্য উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাগ্রত কবি মুহিব খান, যিনি দীর্ঘদিন ধরে গণসংগীত, প্রতিবাদী কবিতা এবং সাংস্কৃতিক চেতনার মাধ্যমে জাতির সংকটকালে ভূমিকা রেখে আসছেন।

আগামী ২৪ এপ্রিল ২০২৫ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পল্টন এরিয়ার মুক্তাঙ্গন থেকে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে এই ঐতিহাসিক সং মার্চ’ বা ‘সংগীতময় পদযাত্রা’ আয়োজিত হতে যাচ্ছে।

‘সং মার্চ’ বা ‘সংগীতময় পদযাত্রা’—এই শব্দযুগল আগে ইতিহাসে কখনো প্রতিষ্ঠানিক বা ঘোষিত রূপে দেখা যায়নি। বিশ্বের নানা প্রান্তে সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় সংগীত ব্যবহৃত হলেও, সরাসরি সংগীতকেই প্রতিবাদের কৌশল ও কেন্দ্রবিন্দু করে এমন কোনো পদযাত্রা অতীতে দেখা যায়নি। সেই দিক থেকে জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের এই উদ্যোগ একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ঘোষণার সমান।

এই ‘সং মার্চ’ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য—ভারতে বসবাসরত মুসলমানদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট নিপীড়ন, হিন্দুত্ববাদী উগ্রবাদ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। এতে অংশগ্রহণকারীরা ভারতের মুসলমানদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ গান, প্রতিবাদী কবিতা, স্লোগান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন। পদযাত্রাটি ঢাকার পল্টনের মুক্তাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে অগ্রসর হবে, যেখানে একটি প্রতীকী প্রতিবাদপত্র প্রদান করা হবে।

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্পর্কে আয়োজকরা জানান, “সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের উপকরণ নয়, এটি প্রতিবাদের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। যখন নিরস্ত্র মানুষ নিপীড়নের শিকার হয়, তখন কণ্ঠই হয়ে ওঠে তাদের অস্ত্র। আর সেই কণ্ঠকে আমরা সংগীতের মাধ্যমে জাগিয়ে তুলতে চাই।”

জাগ্রত কবি মুহিব খানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ‘সং মার্চ’ বাংলাদেশ তথা বিশ্ব সংস্কৃতির ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিবাদী কর্মসূচি নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রতীক, যেখানে মানবতা, প্রতিবাদ ও শিল্প একাকার হয়ে গেছে।

জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আহ্বানে ইতোমধ্যেই নানা সাংস্কৃতিক সংগঠন, কবি-শিল্পী, ছাত্র-জনতা এতে দলে দলে যোগদানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এই পদযাত্রা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আন্তর্জাতিক সমাজকে নতুনভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করবে।

an adbox will go here