টিপু চেয়ারম্যান ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে হু’ন্ডি, খা’ল দ’খলসহ নানা অ’ভিযো’গ
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ || ভোট প্রক্রিয়া, হু’ন্ডির মাধ্যমে অর্থ পা’চা’র, প্রভাশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রভাব খাটানো, খা’ল ভ’রাট ও দ’খল, এমনকি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অ’ভিযো’গ উঠেছে রাজৈর উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান মাতুব্বর ও তার তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে হু’ন্ডির মাধ্যমে অর্থ দেশের বাইরে পা’ঠা’নোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, মান্নান মাতুব্বরের চার ছেলে—টিপু সুলতান, লিটু, জুয়েল ও সোহেল—দীর্ঘ সময় সৌদিতে থেকে দেশে ফেরার পর স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক যোগাযোগ গড়ে তোলেন। অভিযোগ আছে, তারা রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনের একাংশের ছা’ত্র’ছা’য়ায় প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, বড় ভাই টিপু দেশে ফিরে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের সহায়তায় ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং এরপর থেকে তারা এলাকায় নিজেদের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কায়েম করেন।
টিপুর নামে মাদারীপুর ও ঢাকায় দুটি মা’ম’লা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তবে এখনো তাকে গ্রে’প্তা’র করা হয়নি। জেলা বিএনপির একটি অংশ দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে টিপু ও তার ভাইয়েরা বিএনপির কিছু নেতার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছেন, যা এলাকাবাসীর মধ্যে আত’ঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের কেউ কেউ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, টিপু ও তার ভাইয়েরা এতটাই প্রভাবশালী যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। কেউ কিছু বললে তাকে শা’রি’রি’কভাবে লা’ঞ্ছি’ত করা হয় কিংবা বি’ভ্রা’ন্ত’ক’র মা’ম’লা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এদের মধ্যে জুয়েলকে সবচেয়ে ভ’য়’ঙ্ক’র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন অনেকেই।
টিপুর বিরুদ্ধে বাড়ির সামনের খা’ল ভরাট করে দ’খল করার অভিযোগও রয়েছে। বিতর্কিত এক পু’লিশ কর্মক’র্তাকে তাদের বাড়িতে আনিয়ে এলাকায় নিজেদের ক্ষমতার জানান দেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী জাহান জানান, ‘বিএনপি কখনও তাদের দলে স্থান দেয়নি এবং এদের পুনর্বাসনের কোনো প্রচেষ্টাও বরদাস্ত করা হবে না। কেন্দ্র থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা আছে, এমন কেউ যদি বিএনপির নাম ব্যবহার করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মাদারীপুর দু’র্নী’তি দ’মন ক’মিশনের উপ-পরিচালক আতিক রহমান বলেন, ‘স্বীকৃত গণমাধ্যমে কারও বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ হলে আমরা তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠাই।’
পু’লিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান বলেন, ‘টিপুর বিরুদ্ধে দুইটি মা’ম’লা রয়েছে, আমরা তাকে গ্রে’প্তা’রের চেষ্টা করছি এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরু’দ্ধেও অ’পরাধে জ’ড়িত থাকার বিষয়ে ত’দ’ন্ত চলছে।