মানবতার শত্রু আ.লীগকে নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবি হেফাজতের, ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান - দিগন্ত জার্নাল

মানবতার শত্রু আ.লীগকে নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবি হেফাজতের, ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:

শুক্রবার, (৯ মে ২০২৫) বিনা বিচারে গণহত্যাকারীদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ প্রদানের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শাপলা ও জুলাই গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে দ্রুত নিষিদ্ধ এবং তাদের বিচারের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, “সহস্রাধিক শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলেও, এই সরকারের গড়িমসির কারণে গণহত্যাকারী আ.লীগ এখনো নিষিদ্ধ হয়নি। অথচ এই সংগঠন মানবতার শত্রু, একটি সন্ত্রাসী দল, যারা বারবার ক্ষমতায় গিয়ে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে এবং দেশকে ভারতের কাছে জিম্মি করেছে।”

তারা উল্লেখ করেন, “আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসরদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার পেছনে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণের স্পষ্ট দাবি অনুযায়ী আ.লীগকে নিষিদ্ধ এবং বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে। অন্যথায় ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।”

নেতারা বলেন, “আমরা ছাত্র-জনতাকে আহ্বান জানাচ্ছি—দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে যাওয়া যাবে না। কারণ যদি এই মুহূর্তে জনগণের দাবি উপেক্ষা করে আ.লীগকে ছাড় দেওয়া হয়, তাহলে তারা আবার ফিরে এসে প্রতিশোধমূলক রাজনীতি শুরু করবে। অতীতেও তারা তওবার ভান করে আবার ক্ষমতায় এসে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল।”

হেফাজতের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠন, গুম-খুনের শিকার পরিবার এবং জুলাই বিপ্লবের শহিদ ও আহতদের আত্মীয়স্বজনের সম্মিলিত দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বিচার দ্রুত সম্পন্ন করাই এখন সময়ের দাবি।”

সরকারের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে নেতারা বলেন, “যদি এই বিচার প্রক্রিয়া ধীরে চলে এবং আ.লীগ নিষিদ্ধ না হয়, তবে জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হলে তার দায় ইউনূস সরকারকে নিতে হবে।”

বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন হেফাজতের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। এতে সংগঠনের প্রধান কার্যালয় হিসেবে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর জামিয়া মঈনুল ইসলাম এবং ঢাকার খিলগাঁওয়ে মহাসচিব কার্যালয়ের ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়।

an adbox will go here