নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের ইতিহাস - দিগন্ত জার্নাল

নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের ইতিহাস

স্পোর্টস ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার (০৩ জুলাই ২০২৫), বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ইতিহাস গড়েছে—প্রথমবারের মতো তারা জায়গা করে নিয়েছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে। গ্রুপ ‘সি’র বাছাইপর্বে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা স্বাগতিক মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারায় বাংলাদেশ। দুই অর্ধে জোড়া গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা।

এর আগে বাহরাইনকে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেছিল লাল-সবুজের মেয়েরা। বাহরাইন ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হওয়ায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু হওয়া নারী এশিয়ান কাপে এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, যারা হবে টুর্নামেন্টের ২৩তম দল। চূড়ান্ত পর্বে এরই মধ্যে জায়গা পেয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ আরও একটি দল। বাকি আটটি দল বাছাইপর্ব থেকে আসবে।

২০২৬ সালের ১ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, গোল্ড কোস্ট এবং পার্থে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্ট। ২৯ জুলাই হবে গ্রুপ পর্বের ড্র। বাংলাদেশ সম্ভবত থাকবে চতুর্থ পটে। ১২টি দল তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল এবং সেরা দুটি তৃতীয় দল যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। এখান থেকেই শুরু হবে ২০২৭ নারী বিশ্বকাপ ও ২০২৮ অলিম্পিকের টিকিটের লড়াই।

সেমিফাইনালে ওঠা চারটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে। কোয়ার্টার ফাইনালে হারা চার দলের মধ্যে দুটি প্লে-ইন জয়ীও পাবে টিকিট। বাকিরা খেলবে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে। এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আটটি দলই অংশ নিতে পারবে ২০২৮ অলিম্পিক বাছাইয়ে। দুই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন পাবে অলিম্পিকের মূলপর্বে খেলার সুযোগ। ঋতুপর্ণাদের এই অর্জন কেবল ম্যাচজয় নয়—এটি বাংলাদেশের নারী খেলাধুলার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত।

an adbox will go here