জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিচারে ছবি-ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি: আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে পরিচালিত গণহত্যার বিচারের ক্ষেত্রে আন্দোলনকালীন ছবি ও ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। শনিবার বিকেলে রাজধানীর পান্থপথে ‘বাংলাদেশ প্রটেস্ট আর্কাইভ’ (বিপিএ)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, গণহত্যার তথ্য সংরক্ষণ ও ভবিষ্যতে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আন্দোলনকালীন দৃশ্যপট সংরক্ষণ অপরিহার্য। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য মুসতাইন জহির, বিপিএ’র লিড ইনভেস্টিগেটর কদরুদ্দিন শিশির, ইনভেস্টিগেটর মিনহাজ আমানসহ বিশিষ্টজনেরা।
গণহত্যার তথ্য সংরক্ষণে ছবির গুরুত্ব: আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, “একটি অন্যায় ঘটে গেছে, যা কখনোই পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যাবে না। কোনো সরকার যেন এমন গণহত্যার দায় এড়িয়ে যেতে না পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, কোনো দৃশ্যের সামান্যতম চিত্রও ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, “ছবির গুরুত্ব আমরা সবসময় উপলব্ধি করতে পারি না। কিন্তু ভবিষ্যতে এটি একটি নির্ণায়ক প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে।”
গবেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, “বাংলাদেশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা এখনও চলছে। সরকার থেকে দূরে থেকেই সত্য সংরক্ষণ করতে হবে।”
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য মুসতাইন জহির বলেন, “গণহত্যার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করতে নির্ভরযোগ্য তথ্য জরুরি। আমরা জানি, ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু দায়ী ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর পরিচয় চিহ্নিত করতে না পারলে বিচার প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে যাবে।”
বিপিএ’র লিড ইনভেস্টিগেটর কদরুদ্দিন শিশির বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে পরিচালিত গণহত্যার বিচারের ক্ষেত্রে ছবি-ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে। স্বৈরাচারী সরকার এসব প্রমাণ মুছে ফেলতে তৎপর ছিল। পুলিশ যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ছবি-ভিডিও ডিলিট করেছিল।”
ইনভেস্টিগেটর মিনহাজ আমান বলেন, “আমরা গত ২২ বছরের হত্যাকাণ্ডের একটি আর্কাইভ তৈরি করছি। ২০-৫০ বছর পরেও যেন এগুলো প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।”
বিপিএ’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা শোয়েব আব্দুল্লাহ বলেন, “আমাদের সংরক্ষিত ভিডিওগুলো বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে, তবে মালিককে ক্রেডিট দিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সংগঠন উইটনেসের সিনিয়র কর্মকর্তা অরুল প্রকাশ সিন্নাপ্পান ও হুয়ে শিন চাও ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রটেস্ট আর্কাইভের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
বিশিষ্টজনেরা মনে করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংঘটিত গণহত্যার বিচারে তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ অপরিহার্য। ভবিষ্যতে বিচার নিশ্চিতে এসব ছবি-ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি: আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে পরিচালিত গণহত্যার বিচারের ক্ষেত্রে আন্দোলনকালীন ছবি ও ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। শনিবার বিকেলে রাজধানীর পান্থপথে ‘বাংলাদেশ প্রটেস্ট আর্কাইভ’ (বিপিএ)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, গণহত্যার তথ্য সংরক্ষণ ও ভবিষ্যতে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আন্দোলনকালীন দৃশ্যপট সংরক্ষণ অপরিহার্য। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য মুসতাইন জহির, বিপিএ’র লিড ইনভেস্টিগেটর কদরুদ্দিন শিশির, ইনভেস্টিগেটর মিনহাজ আমানসহ বিশিষ্টজনেরা।
গণহত্যার তথ্য সংরক্ষণে ছবির গুরুত্ব: আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, “একটি অন্যায় ঘটে গেছে, যা কখনোই পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যাবে না। কোনো সরকার যেন এমন গণহত্যার দায় এড়িয়ে যেতে না পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, কোনো দৃশ্যের সামান্যতম চিত্রও ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, “ছবির গুরুত্ব আমরা সবসময় উপলব্ধি করতে পারি না। কিন্তু ভবিষ্যতে এটি একটি নির্ণায়ক প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে।”
গবেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, “বাংলাদেশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা এখনও চলছে। সরকার থেকে দূরে থেকেই সত্য সংরক্ষণ করতে হবে।”
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য মুসতাইন জহির বলেন, “গণহত্যার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করতে নির্ভরযোগ্য তথ্য জরুরি। আমরা জানি, ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু দায়ী ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর পরিচয় চিহ্নিত করতে না পারলে বিচার প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে যাবে।”
বিপিএ’র লিড ইনভেস্টিগেটর কদরুদ্দিন শিশির বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে পরিচালিত গণহত্যার বিচারের ক্ষেত্রে ছবি-ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে। স্বৈরাচারী সরকার এসব প্রমাণ মুছে ফেলতে তৎপর ছিল। পুলিশ যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ছবি-ভিডিও ডিলিট করেছিল।”
ইনভেস্টিগেটর মিনহাজ আমান বলেন, “আমরা গত ২২ বছরের হত্যাকাণ্ডের একটি আর্কাইভ তৈরি করছি। ২০-৫০ বছর পরেও যেন এগুলো প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।”
বিপিএ’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা শোয়েব আব্দুল্লাহ বলেন, “আমাদের সংরক্ষিত ভিডিওগুলো বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে, তবে মালিককে ক্রেডিট দিতে হবে।”
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সংগঠন উইটনেসের সিনিয়র কর্মকর্তা অরুল প্রকাশ সিন্নাপ্পান ও হুয়ে শিন চাও ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রটেস্ট আর্কাইভের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
বিশিষ্টজনেরা মনে করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংঘটিত গণহত্যার বিচারে তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ অপরিহার্য। ভবিষ্যতে বিচার নিশ্চিতে এসব ছবি-ভিডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।