মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স নির্ধারণ সংক্রান্ত রায়ের আপিলের শুনানি ১২ মার্চ
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ সম্পর্কিত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পরবর্তী শুনানি আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ আংশিক শুনানি শেষে এই তারিখ নির্ধারণ করেন। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান হাইকোর্টের রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে বলেন, এতে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং শেখ মুজিবকে গ্লোরিফাই করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়, যা পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে, ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি আরেকটি গেজেটের মাধ্যমে এই বয়সসীমা পরিবর্তন করে ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ন্যূনতম বয়স ১২ বছর ৬ মাস করা হয়।
এই গেজেট ও পরিপত্রের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে হাইকোর্টে পৃথক ১৫টি রিট আবেদন করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১৯ মে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ গেজেট ও পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করে, যার পরবর্তী শুনানি আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।