চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশে উত্তেজনা চরমে - দিগন্ত জার্নাল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশে উত্তেজনা চরমে

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ধর্ষণবিরোধী সমাবেশে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করায় এক ছাত্রী তোপের মুখে পড়েছেন। রোববার রাত ৮টায় চবির জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এ ঘটনা ঘটে।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পাসে বহিষ্কৃত ১০ শিক্ষার্থীর বিষয়ে আলোচিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে চবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া শিকদার বক্তব্য রাখেন। দীর্ঘ বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি চবি প্রক্টরের সমালোচনা করে তার পদত্যাগের দাবি জানান। এ সময় কিছু শিক্ষার্থী ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরবর্তীতে খান তালাত মাহমুদ রাফি এগিয়ে গিয়ে সুমাইয়ার হাত থেকে মাইক নিয়ে নেন এবং সমাবেশ শেষ ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে ‘শিক্ষার্থীবৃন্দ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে সমাবেশ আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে চবির মেয়েরা’ ব্যানারে মশাল মিছিলেরও আয়োজন করা হয়। পৃথকভাবে শুরু হলেও উভয় মিছিল জিরো পয়েন্টে এসে একত্রিত হয়। সেখানে সুমাইয়া শিকদারের বক্তব্য ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও সমাবেশের সমন্বয়ক সাব্বির হোসেন রিয়াদ বলেন, ‘আমাদের মাইক নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সুমাইয়া শিকদার নিজেই একটি হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে বক্তব্য দিতে থাকেন। তবে মূল বিষয় ধর্ষণের প্রতিবাদের বাইরে চলে গিয়ে প্রক্টরের পদত্যাগ ও বহিষ্কারাদেশ বাতিলের দাবি উঠে আসে, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।’

এ বিষয়ে এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা গিয়েছিলাম ধর্ষণের বিচারের দাবিতে, ব্যক্তিগত আলোচনার জন্য নয়।’ অন্যদিকে, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ধ্রুব বড়ুয়া ফেসবুকে লেখেন, ‘সুমাইয়া যখন প্রক্টরের বিরুদ্ধে “হানি ট্র্যাপ” অভিযোগ তুলতে যাচ্ছিলেন, তখনই একটি গোষ্ঠী “ভুয়া ভুয়া” বলে চিৎকার শুরু করে, যার ফলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।’

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ সমাবেশের মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাওয়াকে দোষারোপ করেছেন, আবার কেউ প্রতিবাদ দমনের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন।

প্রতিবেদনটি সম্পাদনা করে সংবাদের উপযোগী ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। কোনো পরিবর্তন বা সংযোজন প্রয়োজন হলে জানান।

an adbox will go here