নান্দাইল থানার ওসি ফরিদের বদলির পর ফাঁস হলো নানা অনিয়ম - দিগন্ত জার্নাল

নান্দাইল থানার ওসি ফরিদের বদলির পর ফাঁস হলো নানা অনিয়ম

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:


মাত্র ১৬৯ দিনের দায়িত্বকালে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদ আহমেদ মাদকবিরোধী অভিযানে সফলতার জন্য তিনবার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পেয়েছেন। পাশাপাশি মসজিদে নামাজ আদায়, দান-সদকা ও মানবিক কার্যক্রমের জন্য স্থানীয়দের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। তবে বদলির পর ফাঁস হয়েছে তার বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ।

২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর নান্দাইলে যোগ দেওয়ার পর তিনি জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন এবং বেশ কিছু মাদক কারবারিকে আটক করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হালকা ধারায় মামলা দিয়ে অর্থের বিনিময়ে মুক্তির সুযোগ করে দিতেন।

এছাড়া, তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগের মুখে পড়েছেন। নান্দাইল বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের পরিবার দাবি করেছে, ওসি ফরিদ তাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে আটক করে ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন। এছাড়া চাঁদার বিনিময়ে বাজারের সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে ব্যবসার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর মাদক উদ্ধারে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি, ২ ফেব্রুয়ারি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির জন্য এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে শ্রেষ্ঠ ওসি পুরস্কার পান তিনি। তবে বদলির পর পাওনাদারদের চাপের মুখে তার বিভিন্ন অনিয়ম প্রকাশ্যে আসে।

বৃহস্পতিবার তাকে ময়মনসিংহ পুলিশ অফিসে বদলি করা হলে, শুক্রবার পাওনাদাররা থানায় এসে টাকা দাবি করেন। পরে ওসি ফরিদ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “এগুলো আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যা সমাধান করা হয়েছে।”

an adbox will go here