সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক :
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বুধবার, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
পরে সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। তিনি দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন।
সেনাপ্রধান তার সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফর সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টাকে জানান এবং বলেন যে, এই সফরটি দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাতে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান সদ্য সমাপ্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন, যেখানে চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য ও জেসিওদের সুবিচার নিশ্চিতকরণের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দেশের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে, জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় সেনাবাহিনী যে ব্যবস্থা নিয়েছে, সে সম্পর্কেও সেনাপ্রধান বিস্তারিত তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
ভারতের নাগপুরে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার তীব্র নিন্দা
মুঘল সম্রাট আওরাঙ্গজেবের কবর সরানোর দাবিকে কেন্দ্র করে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, “ভারতের মুঘল সম্রাটগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন আওরঙ্গজেব। তার কবর সরানোর দাবিতে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার কারণে সেখানে কারফিউ জারির ঘটনা অত্যন্ত অন্যায়, অমানবিক ও দুঃখজনক।” তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকারের মদদপুষ্ট বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলসহ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলোর উস্কানির কারণে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় বারবার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটছে।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, “বিজেপি সরকারের এ ধরনের সাম্প্রদায়িক তৎপরতা জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত মানবাধিকার ও ধর্মীয় অধিকারের পরিপন্থী।” তিনি ভারতের মুসলিম নিধনের ষড়যন্ত্র বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “ভারতে মুসলিম নিধন বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাগুলির কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”