ভারতে পালাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা - দিগন্ত জার্নাল

ভারতে পালাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা এবং অন্তর্বর্তী সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে, ২৪ সালে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দামাতে গিয়ে গণহত্যা সংগঠিত করে ভরতে পালিয়ে আশ্রয় নেয়া ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার দল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশগ্রহণকারী ৫৭৭ জনের মধ্যে ৭৩ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি ৫০৪ জনের পরিচয় শনাক্ত করতে সিআইডি কাজ করছে।

এজাহারে উল্লিখিত তথ্য
মামলার এজাহারে জানা গেছে, ওই বৈঠকে গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতারকে গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং সেসময় একাধিক ব্যক্তি যুদ্ধের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। এই বৈঠকে দেশ-বিদেশের ৫৭৭ জন অংশগ্রহণ করেন এবং তারা শেখ হাসিনার সব নির্দেশ মেনে চলার প্রত্যয় প্রকাশ করেন।

বিশেষ পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন খানের বক্তব্য
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসিম উদ্দিন খান যুগান্তরকে বলেন, “অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের সুস্পষ্ট উপাদান পাওয়া গেছে, যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের আওতায় আসে।” তিনি আরও জানান, মামলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলমসহ খুলনা জেলা যুবলীগের সদস্য পারভেজ খান ইমন, খুলনার খবির ইসলাম আকাশ, এবং জয় বাংলা ব্রিগেডের বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

সিআইডি তদন্ত
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অধীনে তদন্ত চলছে এবং আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আরও অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তির নাম জড়িত থাকতে পারে, যাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ
বৈঠকটি যেখানে আলোচনা হয়, সেখানে রাষ্ট্রের প্রতি ঘৃণা এবং সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ অস্বীকারযোগ্য হয়ে উঠেছে। এটি একটি বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়, যা সরকার ও দেশের নিরাপত্তা জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।

এই মামলায় দ্রুত তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার কাঙ্ক্ষিত।

an adbox will go here