শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি,
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫ || রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব দুদকের দেওয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন। আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের পলাতক দেখিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরবর্তী শুনানির জন্য ৪ মে গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
চার্জশিটে যাদের নাম
মামলায় যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন—
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, পুরবী গোলদার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহীদ উল্লা খন্দকার
রাজউকের সাবেক সদস্য ও কর্মকর্তারা—আনিছুর রহমান মিঞা, খুরশীদ আলম, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, নাসির উদ্দীন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), নুরুল ইসলাম, শেখ শাহিনুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সালাহ উদ্দিন, ও শরীফ আহমেদ
অভিযোগ কী
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, ধানমন্ডি এলাকায় মালিকানাধীন আবাসন থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প থেকে প্লট বরাদ্দ নেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয় এবং এর মাধ্যমে আইন, বিধি ও নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে।
মামলায় বলা হয়, দুর্নীতি দমন আইনের ১৯৪৭ সালের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং বেআইনি সুবিধা আদান-প্রদান।
মামলার পটভূমি
২০২৫ সালের ১২ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে