সবজির বাজার চড়া, কিছুটা স্বস্তি গোস্ত-ডিমে - দিগন্ত জার্নাল

সবজির বাজার চড়া, কিছুটা স্বস্তি গোস্ত-ডিমে

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ | সপ্তাহ ব্যবধানে কিছুটা কমেছে খাসির গোস্ত ও সব ধরনের মুরগির দাম, স্থিতিশীল রয়েছে মাছের বাজার, তবে চড়া রয়েছে সবজির দাম। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী, খিলক্ষেত ও হাতিরপুলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজি ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে করলা ৬০-৭০, বেগুন ৫০-৮০, বরবটি ৮০, কহি ৬০, লতি ৭০, কাঁকরোল ১২০, ঢ্যাঁড়শ ৪০, ঝিঙে ৬০, টমেটো ৩০, পেঁপে ৫০, গাজর ৪০, শসা ৬০, পটোল ৫০-৬০, সজনে ডাটা ১০০-১২০ ও ধনেপাতা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চালকুমড়া ও লাউয়ের দাম যথাক্রমে ৫০ ও ৬০-৭০ টাকা। কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে খুচরায় ৮০-১০০ টাকা, পাইকারিতে ৭০ টাকা হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, গ্রীষ্মকালীন সবজি কম আসা ও উৎপাদন খরচ বাড়ার কারণে দাম চড়া। তবে রমজানে ভোগানো লেবুর দাম কমে প্রতি ডজন ৩০-৫০ টাকা হয়েছে।

এদিকে পহেলা বৈশাখ থেকে বাড়তে থাকা পেঁয়াজের দাম এখন প্রতিকেজি ৬০-৬৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে আরও দাম বাড়তে পারে। অপরদিকে স্থিতিশীল রয়েছে আলুর দাম (২০-২২ টাকা), আদা (১২০ টাকা), দেশি রসুন (৮০-১০০) ও আমদানিকৃত রসুন (১৮০-২২০ টাকা)। মাছের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই—রুই ৩৫০-৪২০, কাতল ৩৮০-৪৫০, চাষের শিং ৫৫০, মাগুর ৫০০, কৈ ২০০-২৫০, কোরাল ৭৫০, পাঙাশ ১৮০-২৩০, তেলাপিয়া ১৫০-২২০, বোয়াল ৭৫০-৮৫০, পোয়া ৪৫০, আইড় ৮০০-৯০০, টেংরা ৬৫০-৭০০, দেশি কৈ ১৩০০-১৭০০ ও দেশি শিং ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দামও বেশ চড়া—এক কেজি ওজনের ২২০০, দেড় কেজির ২৫০০, ৮০০-৯০০ গ্রামের ২০০০ ও ৫০০-৬০০ গ্রামের জন্য গুনতে হচ্ছে ১৪০০-১৫০০ টাকা।

এদিকে মুরগির বাজারে দেখা গেছে স্বস্তির ইঙ্গিত—ব্রয়লার কমে ১৭০-১৮০, সোনালি ২৩০-২৫০, দেশি ৬৫০-৬৮০, সাদা লেয়ার ২৭০ ও লাল লেয়ার ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। গরুর মাংসের দাম স্থির রয়েছে (৭৫০-৮০০ টাকা), তবে খাসির দাম কমে ১২০০ ও ছাগলের মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন, গরম ও চাহিদা কমায় দাম হ্রাস পেয়েছে।

ডিমের বাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে—লাল ডিম প্রতি ডজন ১২০-১৩০, সাদা ডিম ১১৫-১২০, হাঁসের ডিম ১৮০-২০০ ও দেশি মুরগির ডিম ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর থেকেই বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে, বাজার মনিটরিং না বাড়ালে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

an adbox will go here