সীমান্তে সাহসিকতায় বিজিবির প্রশংসায় এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, (১ মে ২০২৫) জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মেহেদী হাসান (অব.) এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ঘটনায় বিজিবি যেভাবে সীমান্তে সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত কিছু ভিডিও ও স্থিরচিত্রে দেখা গেছে, বিজিবি সদস্যরা নিরস্ত্র কৌশলে ও নিপুণ দক্ষতায় সীমান্ত অতিক্রমকারী বিএসএফ সদস্যদের গ্রেফতার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। এসব চিত্র বিজিবির শৃঙ্খলা, দৃঢ়তা এবং পেশাগত দক্ষতার সাক্ষ্য বহন করে।
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ডে বিজিবির (তৎকালীন বিডিআর) একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় পার করেছিল জাতি। তবে সেই দুঃসময় পেরিয়ে বিজিবি যে ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেকে পুনর্গঠিত করেছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে বিজিবির ভূমিকা আরও জনমুখী, দায়িত্বশীল ও পেশাদার হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছে অ্যাসোসিয়েশনটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনসাধারণের মধ্যে বিজিবির প্রতি যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক। অতীতে বিজিবিকে ভোটারবিহীন নির্বাচন, রাতে ভোট প্রদান ও বিরোধী দল দমনসহ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের নজির থাকলেও বর্তমানে বাহিনীটি তার পেশাদার অবস্থান পুনরুদ্ধার করছে।
বিএসএফের সীমান্ত লঙ্ঘনের ঘটনায় বিজিবির সতর্ক, দৃঢ় ও সাহসী প্রতিক্রিয়া এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন প্রসঙ্গে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন মন্তব্য করেছে, জনগণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে একটি আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক। বিজিবির এমন সাহসী ও সময়োপযোগী ভূমিকায় কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা জানিয়েছে সংগঠনটি।