সাম্য হত্যাকাণ্ড তদন্তে ঢাবি প্রশাসনের কমিটি, সোহরাওয়ার্দীতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার - দিগন্ত জার্নাল

সাম্য হত্যাকাণ্ড তদন্তে ঢাবি প্রশাসনের কমিটি, সোহরাওয়ার্দীতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার

ফারজানা রুবি | দিগন্ত জার্নাল প্রতিবেদক:

বুধবার, (১৪ মে ২০২৫) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার সাম্য হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল স্থানে রূপান্তরের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং উদ্যানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সভায় গৃহীত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি লেখেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে যৌথ অভিযান পরিচালিত হবে। এর অংশ হিসেবে রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেটটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে, অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ, মাদক ব্যবসা নির্মূল এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ঢাকা সিটি করপোরেশন, ডিএমপি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া উদ্যানে পর্যাপ্ত আলো ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, একটি ডেডিকেটেড পুলিশ বক্স নির্মাণ, রমনা পার্কের মতো সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার চালু এবং রাত ৮টার পর জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ সকল পদক্ষেপ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সাম্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাম্য হত্যার ঘটনাটি তদন্তে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমানকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার, সহকারী প্রক্টর শারমীন কবির (সদস্য সচিব) এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তদন্ত) যিনি সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

an adbox will go here