ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ে পুনর্বিবেচনার আবেদন: শুনানি ১ জুলাই - দিগন্ত জার্নাল

ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ে পুনর্বিবেচনার আবেদন: শুনানি ১ জুলাই

প্রতিবেদক: ফারজানা রুবি

রোববার, (১৮ মে ২০২৫) রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে দাখিল করা রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদনের পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ১ জুলাই নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

রোববার (১৮ মে) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির একটি বেঞ্চ শুনানি নিয়ে পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

রিভিউ আবেদনের শুনানিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দিন দোলন। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির ও অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী। এছাড়া ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের আবেদনের পক্ষে যুক্ত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এম. আবদুল কাইয়ূম।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স প্রণয়ন করে। পরবর্তী সময়ে এটি কয়েক দফায় সংশোধিত হয়। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক ও স্বীকৃত পদগুলোকে প্রশাসন ক্যাডারের নিচে রাখার অভিযোগ তুলে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিট করেন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রায় দিয়ে ১৯৮৬ সালের সংশোধিত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং আট দফা নির্দেশনা দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে, যার শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় আংশিক সংশোধন করে তিন দফা নির্দেশনা দেয়।

সেই তিন দফা হলো:
১. সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে সাংবিধানিক পদধারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
২. জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচারকরা সরকারের সচিবদের সঙ্গে একই (১৬তম) স্থানে থাকবেন।
৩. অতিরিক্ত সচিবেরা জেলা জজদের পরে (১৭তম) অবস্থানে থাকবেন।

এই রায়ের বিরুদ্ধেই রিভিউ আবেদন করে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরাও এ আবেদনে যুক্ত হন।

an adbox will go here