এখনো ঊর্ধ্বমুখী তেল-চালের দাম, অস্থির মসলার বাজার
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
চলতি সপ্তাহে সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও সয়াবিন তেল ও চালের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো চিকন চালের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকায় পৌঁছেছে। মোটা ও মাঝারি চালের দামও কেজিতে ৫ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে।
এদিকে, এক মাস পরও সয়াবিন তেলের বাজার স্বাভাবিক হয়নি। বাজারে তেল সরবরাহে সংকট থাকায় গ্রাহক ও খুচরা বিক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। খোলা সয়াবিন তেল ১৫৭ টাকা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৫ টাকায় নির্ধারণ করা হলেও সরবরাহ কম থাকায় দোকানদাররা বিভিন্ন দামে বিক্রি করছেন।
সবজির বাজার:
অধিকাংশ সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও করলা, ধুন্দুল এবং ভেন্ডির মতো সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিতে, ধুন্দুল ৮০ টাকায় এবং ভেন্ডি ১০০ টাকায়। তবে আলুর দাম কমে ২০-২৫ টাকায় নেমেছে।
মসলার বাজার:
মসলার দামেও অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। শুকনা মরিচ ও জিরার দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে যথাক্রমে ৬৫০ এবং ৭০০ টাকা হয়েছে। ছোট এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২২০০ টাকা কেজিতে। দেশি রসুন ২৫০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান রসুন ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি ও ডিমের দাম:
মুরগি ও ডিমের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, সোনালি মুরগি ৩৭০ টাকায় এবং দেশি মুরগি ৫৮০ টাকায়। লাল ডিম ডজনপ্রতি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় এবং হাঁসের ডিম ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, “সবজির দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। তবে সয়াবিন তেল ও চালের বাজার এখনো অস্থির। তেলের দাম একেক দোকানে একেক রকম এবং অনেক সময় তেল কিনতে বাধ্য করা হয় অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে।”
এভাবে বাজারের অস্থিরতা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।