ছিনতাই-চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার পেছনে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের হাত রয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক । দিগন্ত জার্নাল
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, চাঁ’দা’বা’জি ও ডা’কা’তি বেড়ে যাওয়ার পেছনে নিষি’দ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে গো’য়ে’ন্দা সংস্থাগুলোর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। জানা গেছে, সংগঠনটির কিছু সদস্য বিভিন্ন উপায়ে অ’প’রা’ধী’দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।
গো’য়ে’ন্দা সূত্র জানিয়েছে, এসব অ’প’রা’ধ হো’য়া’ট’সঅ্যাপ, মে’সে’ঞ্জা’রসহ বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা র’ক্ষা’কা’রী বাহিনী এ চক্রের পূর্ণ নে’ট’ও’য়া’র্ক চিহ্নিত করতে পাঁচটি বিষয় খতিয়ে দেখছে।
পুলিশ স’দ’র দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সংগঠনটির সদস্যদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সামাজিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও গতিবিধির ওপর নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংগঠনের নেতাকর্মীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে, যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে।
নিষি’দ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বর্তমানে আত্মগো’প’নে থাকলেও বিভিন্ন উপায়ে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বলে গো’য়ে’ন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। তারা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে কিশোর গ্যাং, মা’দ’ক’সেবী ও অ’প’রা’ধী’ চক্রকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পুলিশ স’দ’র দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেকটা নিষি’দ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অ’শা’ন্তি সৃষ্টি না হয়।”
সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “নিষি’দ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম নজরদারিতে রাখা এবং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নিষি’দ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের কিছু সদস্য বিভিন্ন উপায়ে রাজনৈতিক দলে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।