মিয়ানমারে মানবিক করিডর চালুর আহ্বান জানিয়েছে ফোর্টিফাই রাইটস
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক :
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গৃহযুদ্ধের কারণে বেসামরিক নাগরিকরা ভয়াবহ মানবিক সংকটে রয়েছে। এই সংকটের মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রবাহিত করতে এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু রাখতে ফোর্টিফাই রাইটস নামক মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ এবং আরাকান আর্মিকে ‘মানবিক করিডর’ চালু করার আহ্বান জানিয়েছে।
ফোর্টিফাই রাইটস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাখাইনে জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তার প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে, সাধারণ নাগরিকদের জন্য খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রীর সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশ সফরের সময় সীমান্তের দুই পাশের মানবিক চাহিদা নিয়ে আলোচনা করার আশা ব্যক্ত করেছেন।
মিয়ানমারে সামরিক জান্তা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাতের কারণে প্রায় ৫ লাখ ১৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ২০ লাখের বেশি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। ফোর্টিফাই রাইটসের মানবাধিকার সহকারী এজাজ মিন খান্ত বলেন, বিশ্বের অধিকার রক্ষাকারী দেশগুলোর উচিত মানবিক সহায়তা সরবরাহের জন্য সম্ভাব্য সব পথ খুঁজে দেখা। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি ‘মানবিক করিডর’ চালু করা বেসামরিক জনগণের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সংগঠনটি জানায়, সামরিক জান্তা মানবিক সহায়তার প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় খাদ্য ও ওষুধের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এর পাশাপাশি, ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালে মিয়ানমারের জন্য সাহায্য ২৫৯ মিলিয়ন ডলার কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যার মধ্যে মানবিক সহায়তার জন্য নির্ধারিত ১৭০ মিলিয়ন ডলারও রয়েছে। এতে মিয়ানমারের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে আটকে পড়া নাগরিকদের জীবনের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।