সরকারের উদ্যোগে টিকিট বিক্রয়ে উন্মুক্ততা, শ্রমিক যাত্রীরা লাভবান
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক :
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে সব ট্রাভেল এজেন্সির জন্য টিকিট বিক্রয় উন্মুক্ত হয়েছে, যা দেশের জনগণের জন্য বিশেষ উপকারে এসেছে। বিশেষ করে শ্রমিক যাত্রীরা এই উদ্যোগ থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে, কারণ তারা এখন পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে প্রায় সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্যে টিকিট কিনতে পারছে।
এই সরকারের নির্দেশনা সব এয়ারলাইন্স সঠিকভাবে মেনে চললে, দেশের জনগণ সবসময় এই সুবিধা পাবেন এবং এয়ার টিকিটের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। তবে, এই পরিপত্রটি শতভাগ কার্যকর করার জন্য সরকারকে মনিটরিং জোরদার করতে হবে বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)।
সাম্প্রতিক সময়ে, বাংলাদেশের এয়ার টিকিটের উচ্চমূল্য কমানোর এবং সেক্টরে শৃঙ্খলা আনার জন্য ১১ ফেব্রুয়ারি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করে। পরিপত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাত্রীর নাম, পাসপোর্টের বিবরণ ও পাসপোর্টের ফটোকপি দিয়ে টিকিট বুকিং করা যাবে, যার ফলে নাম ছাড়া ব্লক করা টিকিটগুলো খোলার মাধ্যমে সিটের সহজলভ্যতা তৈরি হয়। এর ফলে, যাত্রীরা অনলাইনে টিকিটের ভাড়া দেখতে পাচ্ছেন এবং ফ্লাইটের সিট খালি থাকলে বুকিং করতে পারছেন।
এটি বাজারে সিটের কৃত্রিম সংকট কমিয়ে এনে এয়ারলাইন্সের মধ্যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করেছে, যার ফলে টিকিটের মূল্য কমেছে। আটাব জানিয়েছে, আগে ঢাকা থেকে জেদ্দা, মদিনা, দাম্মাম রুটের টিকিট প্রায় ১ লাখ টাকায় বিক্রি হতো, কিন্তু এখন ওইসব রুটের টিকিট ৪৮ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। কিছু এয়ারলাইন্স ঢাকা-দাম্মাম, ঢাকা-রিয়াদ রুটে টিকিট মাত্র ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছে।
এ সরকারের উদ্যোগের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছে আটাব।