মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাণী প্রধান উপদেষ্টার - দিগন্ত জার্নাল

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাণী প্রধান উপদেষ্টার

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:

পরাধীনতার শিকল ভেঙে বীর বাংলাদেশীরা বিশ্বের বুকে স্বাধীন অস্তিত্ব ঘোষণা করেছিল। ২৬ মার্চ, ১৯৭১-এ জাতি শপথ নিয়েছিল, “আমি মুক্ত, এদেশ আমার।” আজ ৫৪ বছরে পা দিয়েছে বাংলাদেশ।

২৬ মার্চ এ জাতির গৌরবদীপ্ত এবং শোকের দিন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে জন্ম দেয় মুক্তিযুদ্ধের। ২৫ মার্চ মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া গণহত্যার পর, মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। মৃত্যুপণ লড়াইয়ে ছিনিয়ে আনা হয় মহান স্বাধীনতা।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বাণীতে বলেন, “দেশকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে, এবং স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে আমরা বদ্ধপরিকর। রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে সংস্কারের মাধ্যমে সুশাসন, ন্যায়বিচার এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”

আজ, আমরা শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করছি স্বাধীনতার জন্য আত্মদানকারী বীর সন্তানদের। বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, গণহত্যার শিকার লাখো মানুষ এবং সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের।

২৬ মার্চ দিবসের সূচনায় ঢাকাসহ সারাদেশে একত্রিশবার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন, এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

এদিন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো সজ্জিত করা হবে। ইলেকট্রনিক মিডিয়া মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচার করছে। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।

এ ছাড়াও, মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদপরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ, বিশেষ দোয়া ও উপাসনা, এবং দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।

an adbox will go here