চট্টগ্রামে শেষ দিকে এসে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম, খুচরা বাজারেও চড়া তেলের মূল্য
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
চট্টগ্রামে রমজানের শুরুতে বাজারে স্বস্তি থাকলেও শেষ দিকে এসে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে ব্রয়লার মুরগির দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ২২৫-২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খামারিরা বলছেন, ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মুরগির খাবারের দামও বেড়ে গেছে, যার ফলে খামার পর্যায়ে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। মার্চের শুরুতে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৬৫ টাকা থাকলেও এক মাসের ব্যবধানে তা ২৩০ টাকায় পৌঁছেছে। তবে দেশি মুরগি ৬০০ ও সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পোলট্রি খামারিরা দাবি করেছেন, তারা ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছেন। বাজারে একদিন বয়সি ব্রয়লার বাচ্চার কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে খামারিরা ইচ্ছা করলেও উৎপাদন বাড়াতে পারছেন না।
অন্যদিকে, পাইকারি বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই। খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে খোলা সয়াবিনের দাম ১৬০ টাকা ৩৭ পয়সা থেকে কমে ১৫২ টাকায় এলেও খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত তেল ১৮৫-১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি।
সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, মূলা ৫০-৬০ টাকা, পটোল-ঢেঁড়স ৮০-১০০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০-৫০ টাকা, ধনেপাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও রুই মাছ ২৮০-৩৮০ টাকা, কাতলা ৩০০-৪৫০ টাকা, ছোট-বড় চিংড়ি ৮০০-১৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।