এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কগুলোতে যানজটের তীব্র ভোগান্তি ছিল না
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কগুলোতে যানজটের তীব্র ভোগান্তি ছিল না। কিছু এলাকায় ধীরগতিতে যান চললেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকার মতো পরিস্থিতি হয়নি। ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে ছেড়েছে, কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনে ছিল উল্লেখযোগ্য যাত্রীচাপ। সদরঘাটেও দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের ভিড় ছিল, তবে লঞ্চগুলো নির্ধারিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘ ছুটির কারণে এবার যাত্রীদের চাপ ধাপে ধাপে পড়েছে, ফলে মহাসড়কে তীব্র যানজট হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির ফলে সড়কে বিশৃঙ্খলা কম ছিল। তবে কয়েকটি বাসের বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গুলিস্তান ও গাবতলীতে কিছু বাস যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করেছে।
এ নিয়ে অভিযানে নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গুলিস্তানে ‘ওয়েলকাম’ পরিবহনকে ৩০ হাজার, ‘দোলা’ পরিবহনকে ২০ হাজার এবং ‘তাজ আনন্দ’ সার্ভিসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রেলপথেও এবার শিডিউল বিপর্যয় হয়নি। বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক জানান, প্রতিটি ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছেড়েছে। কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার জানান, মাত্র কয়েকটি ট্রেন সামান্য বিলম্ব করেছে, তবে যাত্রীদের বড় ধরনের দুর্ভোগ হয়নি।
সদরঘাটে শুক্রবার দিনভর যাত্রীদের চাপ ছিল, তবে পদ্মা সেতুর কারণে লঞ্চে আগের মতো উপচে পড়া ভিড় হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সক্রিয় ছিলেন।
যাত্রীদের অধিকাংশই স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার কথা জানিয়েছেন। তবে কিছু বাসের বাড়তি ভাড়া আদায় এবং বিনা টিকিটে ট্রেনে ওঠার ঘটনা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।