নির্বাচিত হলে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক । রাজনীতি । বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচিত হলে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সপরিবারে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
ভোটাধিকার প্রয়োগে আশাবাদ তারেক রহমানের
তারেক রহমান বলেন,
“আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী যে বাংলাদেশের মানুষ আজ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।”
তিনি আরও বলেন,
“আমরা জয়ের ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। বিজয় লাভ করলে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।”
ভোটের পরিবেশ নিয়ে মন্তব্য
ভোটের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন,
“ভোটগ্রহণ মাত্র শুরু হয়েছে। শেষটা না দেখে এখনই কিছু বলা কঠিন। তবে ইনশাআল্লাহ আমি আশাবাদী।”
তিনি বলেন, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছিল।
“আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজ দেশের মানুষ তাদের অধিকার প্রয়োগ করে গণতন্ত্রের পথে দেশকে এগিয়ে নেবে।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ
সারা দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন,
“সব জায়গার খবর এখনো পাইনি। তবে গত রাতে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পেয়েছি, যা কাম্য নয়।”
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন,
“আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব ঘটনা কঠোরভাবে দমন করেছে। মানুষ যদি সারাদিন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেয়, তাহলে যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।”
কোথায় ভোট দিলেন তারেক রহমান
এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তারেক রহমান।
একই কেন্দ্রে ভোট দেন—
- তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান
- কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
- আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি
- তার দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাশিয়া রহমান
চলছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গত, বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার সংক্রান্ত গণভোট আজ শুরু হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ৪২ হাজার ৯৫৮টি ভোটকেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।
এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার গঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় যুগ পর জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে এবং ভোটাররা আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।