পার্বত্য চট্টগ্রামে আধুনিক অস্ত্রের মজুতের অভিযোগ
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যবসা, কৃষিপণ্য পরিবহণ, বাড়ি নির্মাণ ও গবাদিপশু কেনাবেচাসহ বিভিন্ন খাতে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, চাঁদা ও অপহরণের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় করে সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ ব্যয় হচ্ছে আধুনিক অস্ত্র কেনায়। এতে আর্থিক চাপে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের দাবি, কলা, আদা, হলুদ ও বনজসম্পদ বাজারজাত করতে বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ দিতে হয়। একইভাবে বাড়ি নির্মাণ ও নতুন ব্যবসা শুরু করতেও চাঁদা দিতে হয়।
মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তির পরও পাহাড়ে অস্ত্রধারণ, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সহিংসতার অভিযোগ রয়েছে। দুর্গম এলাকায় রাষ্ট্রের উপস্থিতি কম থাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বাড়ছে।
পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, চাঁদাবাজির অর্থের একটি অংশ দিয়ে আধুনিক অস্ত্র কেনা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অস্ত্র সমর্পণ করে শান্তির পথে ফেরার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, চাঁদার অর্থের উৎস, অস্ত্র সরবরাহকারী ও অপহরণে জড়িতদের শনাক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি সীমান্তে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি বাড়াতে হবে। চট্টগ্রামের সমাজকর্মী দাউদ আলমও সামরিক ক্যাম্প পুনঃস্থাপন ও শান্তিচুক্তি পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।