২০০৮ সালের নির্বাচনে ঘাপলা ছিল, বিএনপি গণতন্ত্রের স্বার্থে মেনে নিয়েছিল: তারেক রহমান
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে অনিয়ম ছিল, তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপি তা মেনে নিয়েছিল। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে এটি প্রমাণিত এবং নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণেও অনিয়ম স্পষ্ট হয়েছে।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা বার আয়োজিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশকে স্থিতিশীল করা জরুরি, আর সেজন্য দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নিলে সংস্কারের কাজ শুরু হবে, যা ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো কমিয়ে আনবে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে, যা বাস্তবায়নের জন্য সংসদের প্রয়োজন। জনগণের রায়ের মাধ্যমে নির্বাচিত সংসদই এটি কার্যকর করতে সক্ষম হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে প্রশাসন, অর্থনীতি, শিক্ষা, কৃষিসহ প্রতিটি খাতে অনিয়ম ও বৈষম্য তৈরি হয়েছে। বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো যখন ৩১ দফা সংস্কারের দাবি তোলে, তখন অন্যরা এ বিষয়ে নিশ্চুপ ছিল।
সংসদকে কার্যকর করার গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই সংকট নিরসনে দ্রুত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়ার বিধানসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে, যা বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই সংসদের প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান ও বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।