জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন নয়: সাবেক জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত সাবেক জনপ্রতিনিধিরা। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত গণসমাবেশে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিতে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, অতীতের অন্তর্বর্তী সরকারগুলো প্রথমে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করে তারপর স্থানীয় নির্বাচন দিয়েছে। এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক জনপ্রতিনিধিরা আন্দোলনে নামবেন এবং প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর স্বৈরাচারী সরকার প্রতারণার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থেকেছে। বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে, শত শত নেতাকর্মীকে হত্যা ও গুম করেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই—জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো স্থানীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।”
ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আসফাক বলেন, “আমরা অতীতে নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এবার যদি জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।”
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বগুড়ার শিবগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মীর শাহে আলম বলেন, “জনগণ জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো স্থানীয় নির্বাচন চায় না। প্রয়োজনে ডিসি-এসপি অফিস ঘেরাও করা হবে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, ময়মনসিংহের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শুকুর আলী, যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন হোসেন, লালমনিরহাটের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মামুনুল হোসেন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাসনাত প্রমুখ।