নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োজন: মির্জা ফখরুল
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক :
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনের সময় সুবর্ণচরে বিএনপি সমর্থিত গৃহবধূ পারুল বেগম ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে হামলার শিকার হন। গভীর রাতে তার বাড়িতে ঢুকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে তার সন্তানদের সামনে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে। এ ধরনের ঘটনা ফ্যাসিস্ট সরকারের অনৈতিক শাসনেরই ধারাবাহিকতা।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, সম্প্রতি মাগুরায় আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় পুরো দেশ শিহরিত হয়েছে। শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিক শিশুটির চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করেছেন।
ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির আইন চায় বিএনপি
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে ধর্ষণের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। অনেক ঘটনা সামাজিক লজ্জা ও নিরাপত্তার অভাবে প্রকাশ পায় না। প্রশাসনের ব্যর্থতায় অপরাধীরা বারবার এই জঘন্য কাজ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, সমাজের অস্থিরতার শিকার হচ্ছে নারী ও শিশুরা। তাই ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে শাস্তির আইন প্রণয়ন করে একটি বৈধ সংসদ গঠন করতে হবে। সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।