প্রতিশোধের কথা জানালেন দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী’র ছেলে
দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক :
সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মেজ ছেলে শামীম বিন সাঈদী বলেছেন, “কোরআনের পাখিকে জেলখানা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল হার্ট অ্যাটাকের কথা বলে। হার্ট অ্যাটাকের রোগী কি হুইল চেয়ারে চলে নাকি স্ট্রেচারে শুয়ে থাকে? সেদিন তিনি এত সুন্দর হাসি দিলেন—এর আগে কি কখনো এত সুন্দর হাসি দেখেছেন? আমি দেখিনি। আপনারা দেখছেন কিনা জানি না।”
তিনি আরো বলেন, “তিনি (দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী) যাওয়ার আগে সারা পৃথিবীর মানুষকে এত সুন্দরভাবে সালাম দিয়ে বিদায় নিয়েছেন। কারো কপালে এরকম সৌভাগ্য হয় না। কেউ একসময় জিজ্ঞেস করেছিলেন- আপনার কি কষ্ট হচ্ছে? কেমন আছেন? তিনি সাথে সাথে বলেছিলেন- আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন। ভিডিওতে দেখছেন না? ওই হাসিতে প্রতিবাদ রয়েছে।”
শামীম বিন সাঈদী বলেন, “১৩ বছর নয়, ২৬ বছর নয়, ৩০ বছর বন্দী করে রাখলেও আল্লামা সাঈদীর মাথা নত হতে জানে না। তার চলে যাওয়া অস্বাভাবিক ছিল, কারণ তাকে হাসপাতালে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই। কোরআনের রাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই প্রতিশোধ নেব, ইনশাল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, “৫ মে আলেম ওলামাদের শাপলা চত্বরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। আলেম ওলামাদের রক্ত বৃথা যাবে না। ইসলামের পতাকা বাংলার মাটিতে উড্ডীন হবেই হবে, ইনশাল্লাহ। আল্লাহ আমাদেরকে সেই সময় দেখাবেন, যা আল্লামা সাঈদী দেখে যেতে পারেননি।”
এদিনের মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সোবহানিয়া জামেয়া-ই-নাছেরীয়া ট্রাস্ট ময়দানের মাহফিলের প্রধান অতিথি ও সোবহানীয়া কমপ্লেক্সের পীর সাহেব (শাহ আল্লামা) আবদুল মোমেন নাছেরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস.এইচ এজেন্সি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল আলীম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. রোকন উদ-দ্দৌলা, এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয় বায়তুল মোয়াজ্জম জামে মসজিদের খতিব প্রফেসর ড. মো. সফিউদ্দিন মাদানী।
প্রধান ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলাহুল উম্মাহ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা আবু হানীফ নেছারী এবং বিশেষ ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির শাইখুল হাদীস আল্লামা মহিউদ্দিন রাব্বানী।