'হারি নাই' আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিলো: ইশরাক - দিগন্ত জার্নাল

‘হারি নাই’ আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিলো: ইশরাক

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:

২৮ মার্চ ২০২৫, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের রায় ঘোষণা করেছে আদালত। এই রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়, যার জাবাব দিয়েছেন ইশরাক হোসেন নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, “আমি ভোটে হারেনি, আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” তিনি বলেন, ২০২০ সালের নির্বাচনের পর তিনি আইনি লড়াই শুরু করেছিলেন, এবং পাঁচ বছরের লড়াই শেষে আজ ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রিকশা–ভ্যান ও অটোচালকদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণের অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ইশরাক হোসেন বলেন, “দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর আইনি লড়াইয়ের পর গতকাল রায় পেয়েছি। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “অনেকে হয়তো মনে করছে যে ৫ আগস্টের পর এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বা আমরা হয়তো এরপর এসে (২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর) এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ করতে হয় এবং সেই ৩০ দিনের মধ্যেই মামলাটি করা হয়েছিল।”

ইশরাক বলেন, ১৮০ দিনের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির আইনি বিধান থাকার পরেও, “বিগত ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের আমলে এটিকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছিল।” তিনি অভিযোগ করেন, “অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী তাপস এই মামলা বাতিল করার জন্য উচ্চ আদালতে এবং নিম্ন আদালতে চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।”

এসময় তিনি জানান, “যতটা সময় লাগার কথা ছিল, তার থেকে অনেক দেরিতে রায় পেয়েছি, তবে শেষ পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায়টি পেয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “এখন আমি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায়টি পেয়েছি। রায় পাওয়ার পর গতকালও বলেছি, এটি দলের সর্বোচ্চ ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে।”

ইশরাক হোসেন সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, “তারা ফোকাস করছে বিএনপির প্রার্থী মেয়র পদে যাচ্ছেন, কিন্তু আমরা যে একটি আইনি উদাহরণ ও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি, সেটার জন্য তাদের আমাদের ধন্যবাদ দেওয়া উচিত ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমি হারি নাই, আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

এই অনুষ্ঠানে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, দলের যুগ্ম মহাসচিব আবদুস সালাম আজাদ, এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী রফিক ও মাহবুবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

an adbox will go here