রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে কাস্টমস ক্যাডারের উদ্বেগ - দিগন্ত জার্নাল

রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে কাস্টমস ক্যাডারের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ | রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের খসড়ায় কাস্টমস ক্যাডারের প্রত্যাশা প্রতিফলিত হয়নি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট) অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি মনে করে, প্রয়োজনীয় সংশোধন ছাড়া এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে এনবিআর সংস্কারের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে এবং কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির পথেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার (২৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজস্ব নীতি থেকে বাস্তবায়ন পৃথক করার বর্তমান সরকারের ভিশন ও পরিকল্পনাকে কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশন স্বাগত জানালেও তারা মনে করে, শুধু পৃথককরণই যথেষ্ট নয়; বরং টেকসই রাজস্ব সংস্কারের জন্য ব্যবস্থার সামগ্রিক শক্তিশালীকরণ, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অপরিহার্য।

অ্যাসোসিয়েশন জানায়, খসড়ার ৪(৩) অনুচ্ছেদে ‘উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন যে কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে’ রাজস্ব নীতি বিভাগের সচিব বা সিনিয়র সচিব হিসেবে নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে, যা দীর্ঘদিন রাজস্ব নীতি প্রণয়নে যুক্ত থাকা কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজস্ব আহরণের বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের নীতিনির্ধারণী পদে নিয়োগ দিলে নীতি ও ব্যবস্থাপনা পৃথককরণের মূল উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হবে। অন্যথায় মেধাবী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সামগ্রিক কর্মস্পৃহা কমাতে পারে।

খসড়ার ৫ অনুচ্ছেদে রাজস্ব নীতি বিভাগের কার্যপরিধিতে কর আইন প্রয়োগ ও কর আহরণ পরিস্থিতি পরিবীক্ষণের বিধান সংযোজিত হওয়ায় উদ্বেগ জানায় অ্যাসোসিয়েশন। তাদের মতে, নীতি বিভাগের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করার সুযোগ তৈরি হলে তা আইনী সাংঘর্ষিকতা তৈরি করতে পারে।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের শীর্ষ পদে ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আয়কর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের পালাক্রমে নিয়োগের সুপারিশ করেছে অ্যাসোসিয়েশন। যদিও খসড়ায় ‘রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সরকারি কর্মকর্তা’ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, এতে প্রশাসন ক্যাডারের প্রবেশাধিকার তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে, যা বিশেষায়িত জ্ঞান ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করবে।

খসড়ার ৭(৫) অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক পদে প্রশাসন ক্যাডার থেকে পদায়ন বাধ্যতামূলক করার বিধান নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে এই পদগুলোয় আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাই প্রশাসনিক পদেও সংশ্লিষ্ট ক্যাডার থেকে নিয়োগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার গঠিত রাজস্ব সংস্কারবিষয়ক পরামর্শক কমিটির প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক এবং রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শীর্ষ পদ আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারের মাধ্যমে পূরণ করা হোক। এতে বিভাগ দুটি আরও কার্যকর, ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব, গতিশীল হয়ে উঠবে এবং অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।

অ্যাসোসিয়েশন হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, বিশেষ কোনো মহলের প্ররোচনায় সংস্কারের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে তা কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ | রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের খসড়ায় কাস্টমস ক্যাডারের প্রত্যাশা প্রতিফলিত হয়নি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট) অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি মনে করে, প্রয়োজনীয় সংশোধন ছাড়া এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে এনবিআর সংস্কারের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে এবং কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির পথেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার (২৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজস্ব নীতি থেকে বাস্তবায়ন পৃথক করার বর্তমান সরকারের ভিশন ও পরিকল্পনাকে কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশন স্বাগত জানালেও তারা মনে করে, শুধু পৃথককরণই যথেষ্ট নয়; বরং টেকসই রাজস্ব সংস্কারের জন্য ব্যবস্থার সামগ্রিক শক্তিশালীকরণ, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অপরিহার্য।

অ্যাসোসিয়েশন জানায়, খসড়ার ৪(৩) অনুচ্ছেদে ‘উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন যে কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে’ রাজস্ব নীতি বিভাগের সচিব বা সিনিয়র সচিব হিসেবে নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে, যা দীর্ঘদিন রাজস্ব নীতি প্রণয়নে যুক্ত থাকা কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজস্ব আহরণের বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের নীতিনির্ধারণী পদে নিয়োগ দিলে নীতি ও ব্যবস্থাপনা পৃথককরণের মূল উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হবে। অন্যথায় মেধাবী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সামগ্রিক কর্মস্পৃহা কমাতে পারে।

খসড়ার ৫ অনুচ্ছেদে রাজস্ব নীতি বিভাগের কার্যপরিধিতে কর আইন প্রয়োগ ও কর আহরণ পরিস্থিতি পরিবীক্ষণের বিধান সংযোজিত হওয়ায় উদ্বেগ জানায় অ্যাসোসিয়েশন। তাদের মতে, নীতি বিভাগের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করার সুযোগ তৈরি হলে তা আইনী সাংঘর্ষিকতা তৈরি করতে পারে।

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের শীর্ষ পদে ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আয়কর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের পালাক্রমে নিয়োগের সুপারিশ করেছে অ্যাসোসিয়েশন। যদিও খসড়ায় ‘রাজস্ব আহরণে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সরকারি কর্মকর্তা’ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, এতে প্রশাসন ক্যাডারের প্রবেশাধিকার তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে, যা বিশেষায়িত জ্ঞান ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করবে।

খসড়ার ৭(৫) অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক পদে প্রশাসন ক্যাডার থেকে পদায়ন বাধ্যতামূলক করার বিধান নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে এই পদগুলোয় আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাই প্রশাসনিক পদেও সংশ্লিষ্ট ক্যাডার থেকে নিয়োগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকার গঠিত রাজস্ব সংস্কারবিষয়ক পরামর্শক কমিটির প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক এবং রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শীর্ষ পদ আয়কর ও কাস্টমস ক্যাডারের মাধ্যমে পূরণ করা হোক। এতে বিভাগ দুটি আরও কার্যকর, ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব, গতিশীল হয়ে উঠবে এবং অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।

অ্যাসোসিয়েশন হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, বিশেষ কোনো মহলের প্ররোচনায় সংস্কারের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থি কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে তা কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

an adbox will go here