শান্ত, স্নিগ্ধ জলের মতো পুরুষ
প্রবন্ধ, আয়েশা ফারহীন:
সমাজে কিছু মানুষ আছেন, যারা একদম শান্ত, স্নিগ্ধ জলের মতো। তাঁদের মধ্যে আজাইরা রাগ নেই, অহেতুক ক্ষোভ নেই, নেই মিসোজিনি বা নারীবিদ্বেষ। এদের মাঝে নেই ধর্মীয় গোড়ামি, নেই ভঙ্গুর পুরুষতান্ত্রিক অহংকার। তাঁরা এমন এক ব্যক্তিত্বের অধিকারী, যাঁদের দেখলেই মনে হয়—তাঁদের কাছ থেকে প্রশান্তি এবং ইতিবাচকতা ছড়িয়ে পড়ছে।
এমন পুরুষরা সমাজের একটি বিরল সম্পদ। তাঁরা কারও সঙ্গে অবমাননাকর আচরণ করেন না, বরং সম্মানের সাথে সকলকে মূল্যায়ন করেন। তাঁদের আচরণ, চিন্তাধারা এবং মনোভাব সত্যিকার অর্থেই প্রশংসনীয়। তাঁদের মধ্যে এমন কিছু গুণ থাকে, যা শুধু তাঁদের নয়, তাঁদের আশপাশের মানুষদেরও আলোকিত করে।
এই ধরনের পুরুষদের দেখে মনে হয়, তাঁদের মা-কে ধন্যবাদ জানানো উচিত। কারণ, তিনি তাঁকে কেবল একজন “পুরুষ” হিসেবে নয়, বরং একজন মানবিক মানুষ হিসেবে বড় করেছেন। মানুষ হিসেবে তাঁর গড়ে ওঠা সমাজের জন্য একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই ধরনের পুরুষের সংখ্যা হয়তো কম, কিন্তু তাঁদের উপস্থিতি আমাদের চারপাশের পরিবেশকে আরও সুন্দর করে তোলে। কখনো কখনো তাঁদের ধৈর্য, নম্রতা আর ইতিবাচক মানসিকতা দেখে মনে হয়, তাঁরা দূর থেকে হলেও সত্যিকার অর্থে শ্রদ্ধার যোগ্য।
আমাদের উচিত এমন মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এবং তাঁদের কাছ থেকে শেখা। তাঁদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সমাজকে আরও উদার ও মানবিক করে তুলতে পারে। তাঁরা সত্যিকার অর্থেই প্রেরণার উৎস।