আধুনিক সম্পর্ক: পুরুষের সংগ্রাম এবং নারীর প্রত্যাশা
নিবন্ধ, আয়েশা ফারহীন:
ফরাসী সামাজিক নৃবিজ্ঞানী রবার্ট ব্রিফল্টের তত্ত্ব অনুযায়ী, আধুনিক যুগে পুরুষের সংগ্রামের অংশ হয়ে নারীরা কখনোই এগিয়ে আসবে না। তাদের কাছে পুরুষের ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিগুলোর গুরুত্ব খুব কম। নারীরা বর্তমান পরিস্থিতি বা আজকের নিরাপত্তা ও সাফল্য চাই, যা তারা নগদে প্রত্যাশা করে। তাই পুরুষের প্রতিশ্রুতি যতটা সময় নেয়, ততটাই নারীর আগ্রহ কমে যায়। যদিও পুরুষটি যদি তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে, তখন সম্ভবত সম্পর্কের মধ্যে গভীরতা আসবে।
রবার্ট ব্রিফল্ট বলেন, “নারীরা কখনোই পুরুষের সংগ্রামের অংশ হবে না। তারা সবসময় সফলতার শেষে দাঁড়িয়ে থাকবে এবং সেই বিজয়ী পুরুষকে তাদের সঙ্গী হিসেবে বেছে নেবে।” উদাহরণ হিসেবে, যদিও কিছু মেয়ে পুরুষের সংগ্রামের অংশ হতে পারে, এটি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। বাস্তবতা হলো, আধুনিক সময়ের নারীরা সবকিছু রেডি চায় — তাদের পুরুষের কাছ থেকে গড়ে তোলা সম্পত্তি, চাকরি এবং অবস্থান। নারীরা কখনোই এই সংগ্রামের অংশ হয়ে পুরুষের সঙ্গী হতে চায় না, বরং পুরুষটির প্রতিষ্ঠিত অবস্থার দিকে তাকিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে, পুরুষ যদি দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাও নারীরা সহজে বিশ্বাস করতে রাজি হয় না। তারা প্রশ্ন তোলে, “যদি পুরুষটি সফল না হয়, তাহলে আমি কী করতে পারব?” এ কারণে অধিকাংশ তরুণ পুরুষই নারীদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারেন না।
এখন প্রশ্ন ওঠে, নারীদের এই “ফিনিশিং লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা” প্রবণতার মোকাবিলা কিভাবে করা যায়? তাদেরকে পুশ করা এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করা হতে পারে একমাত্র উপায়। নারীরা যদি শুধুমাত্র তাদের শারীরিক সৌন্দর্য বা সেক্স অ্যাপিল নিয়ে আসে, তবে পুরুষদের উচিত তাদের থেকে দূরে থাকা। পুরুষ হিসেবে, কখনো কমতিতে সন্তুষ্ট হবেন না। যদি আপনি নিজের সংগ্রাম ও যোগ্যতা অর্জন করে, শুধু সুন্দর চামড়ার মালিক কোনো নারীকে আপনার জীবনসঙ্গী বানাতে চান, তবে আপনার আত্মসম্মান নিয়ে ভাবুন।
এটি নিশ্চিত যে, আপনি যদি শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্যকে মূল্য দেন, তবে আপনি সঠিক পথে যাচ্ছেন না। একজন পুরুষ হিসেবে, Never settle for less!