একই সমান সমীকরণ: নারী ও পুরুষের মধ্যে প্রত্যাশার মিল
প্রবন্ধ:
আয়েশা ফারহীন । দিগন্ত জার্নাল
মহিলাদের ক্ষেত্রে যেমন মোটা বা অব্যবস্থাপনা কখনো কখনো অন্যদের চোখে বিরক্তি সৃষ্টি করতে পারে, তেমনি পুরুষদের ক্ষেত্রে অলসতা, অকর্মণ্যতা বা আত্মবিশ্বাসের অভাবও অনেকের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সমাজে উভয় ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট একটি আদর্শের মধ্যে প্রবাহিত হতে বলা হয়, যা মাঝে মাঝে একজনের নিজস্ব অঙ্গীকার বা পরিচয়ের বিরুদ্ধে চলে যায়।
একজন মোটা মহিলা যখন সঠিক যত্ন নেয় না নিজের শরীরের প্রতি বা যথেষ্ট যত্নবান না হয়, তখন অনেকেই তাকে নাক সিটকানোর দৃষ্টিতে দেখে, যার ফলে তার আত্মবিশ্বাসে ভাটা পড়ে। কিন্তু একই ভাবে একজন পুরুষ যদি অলস হয়, কোনো লক্ষ্য বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা না থাকে, সে যদি নিজের জীবনে কোনো প্রগতি না ঘটায়, তখন নারীরা তাকে বিশেষ কোনো গুরুত্ব দিতে চায় না। এভাবে সমাজে ব্যক্তি বিশেষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় এক ধরনের খামতি দেখলে, অন্য পক্ষের চোখে তা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এটি একটি সমান সমীকরণ; যেখানে নারী-পুরুষের মাঝে প্রত্যাশা ও নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে, যা সবাইকে কিছু না কিছু আক্ষেপের মধ্যে ফেলে। তবে, একে অন্যকে বুঝে, সহানুভূতির সঙ্গে সমঝোতা সৃষ্টি করা উচিত। শুধু বাহ্যিক নয়, আধ্যাত্মিক দিক থেকেও সবাইকে একে অপরের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব ধারণ করা উচিত, যা সত্যিকার সৌন্দর্য এবং জীবনের মূল্যকে বিকশিত করবে।