আমনের ভরা মৌসুমেও বাড়তি চালের দাম: মিলারদের কারসাজিতে ভোগান্তি - দিগন্ত জার্নাল

আমনের ভরা মৌসুমেও বাড়তি চালের দাম: মিলারদের কারসাজিতে ভোগান্তি

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
আমনের ভরা মৌসুম চলছে। ভারত থেকে চাল আমদানিও বাড়ছে, ফলে সরবরাহ পর্যাপ্ত। তবু মিলারদের কারসাজিতে চালের দাম বেড়েছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে সরু চালের কেজিতে ১০ টাকা এবং মোটা চালের ৫-৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজধানীর বাজারে মিনিকেট চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৮২-৮৫ টাকা, নাজিরশাল ৮০-৮৬ টাকা, আর মোটা চাল ৬০ টাকায়।

মিল মালিকরা জানিয়েছেন, মিল পর্যায়ে তদারকির অভাবে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, যা খুচরা পর্যায়ে ভোক্তার ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, “বাজার তদারকির ঘাটতির কারণে ক্রেতারা সবসময় ভুক্তভোগী। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে রমজানের আগেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।”

মাংসের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ২৫০-৩০০ টাকায় এবং গরুর মাংস ৭৫০-৭৮০ টাকায়। মাছের বাজারেও অস্বস্তি বিরাজ করছে। গরিবের পাঙাশ ২০০-২২০ টাকায়, দেশি কই ৮০০ টাকায় এবং চাষের কই ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির সরবরাহ বেড়ে দাম কমেছে। লম্বা বেগুন ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, নতুন আলু ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে করলা ও বরবটির দাম এখনও তুলনামূলক বেশি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মিল পর্যায়ে তদারকি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতি ছাড়া ভোক্তাদের ভোগান্তি কমানো সম্ভব নয়।

an adbox will go here