পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ: সরকারের পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ - দিগন্ত জার্নাল

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ: সরকারের পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ

দিগন্ত জার্নাল ডেস্ক:
গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে, যা ফেরত আনতে বর্তমান সরকার তৎপর হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হবে, যা শিগগিরই চূড়ান্ত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট নথি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চুক্তি সম্পন্ন হলে উদ্ধার হওয়া অর্থের ১০% কমিশন হিসেবে পাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।

অর্থনীতিবিষয়ক শ্বেতপত্র অনুযায়ী, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের আমলে প্রতি বছর গড়ে ১,৬০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে, যার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ লাখ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ ফেরত আনার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অর্থ উদ্ধারের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ

সরকার বাছাই করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পাচার হওয়া অর্থের অস্তিত্ব শনাক্ত করবে, সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং প্রয়োজনে আইনি লড়াই করবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হবে, যার ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হবে।

সরকার ইতোমধ্যে এফবিআই, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মালয়েশিয়া ও সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা চেয়েছে। এফবিআইয়ের নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ শনাক্ত ও উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কোন কোন প্রতিষ্ঠান পাচারের সঙ্গে জড়িত?

সরকারি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক সরকারের ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ব্যবসায়িক গ্রুপ এবং ব্যক্তিরা এই অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে:

এস আলম গ্রুপ

বেক্সিমকো গ্রুপ (সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন)

নাসা গ্রুপ (নজরুল ইসলাম মজুমদার মালিকানাধীন)

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী

এছাড়াও আরও ৭টি গ্রুপের বিষয়ে বিশেষ তদন্ত চলছে, যাদের বিরুদ্ধে পাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আইনি জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ

অর্থ ফেরত আনা সহজ হবে না, কারণ অনেক দেশে আইন অনুযায়ী আমানতকারীদের সুরক্ষা দেওয়া হয়। তবে কর ফাঁকি ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে

an adbox will go here